ওয়ানডে ক্রিকেটে অভিষেক নেপালের

বুধবার জানা গেলো, আগস্টের এক তারিখে ওয়ানডে অভিষেক হবে নেপালের। ৫০ ওভারের প্রথম ম্যচে তাদের প্রতিপক্ষ নেদারল্যান্ডস। অভিষেকের একদিন পর তারা খেলবে তাদের দ্বিতীয় ম্যাচ। এর আগে, এমসিসি ও নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে একটি তিন দলের টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলবে বাংলাদেশের প্রতিবেশি এই দেশ।

জিম্বায়ুতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপ কোয়ালিফায়ারে পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় নেপাল। এশিয়ার ছোট এই দেশটি ১৯৮৮ সালে আইসিসির অ্যাফিলিয়েট মেম্বারের পর্যাদা যায়। তাদের সহযোগী সদস্য হতে লেগে যায় আরো আট বছর। ১৯৯৬ সালে সহযোগী সদস্য হওয়ারও ২২ বছর পর তারা পায় ওয়ানডে স্ট্যাটাস।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নেপালের চূড়ান্ত উত্থান শুরু হয় ২০০৮ সালে। সে বছর তারা ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট লিগ ডিভিশন ফাইভে তৃতীয় স্থান অর্জন করে। দুই বছর পর, ২০১০ সালে ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট ডিভিশন ফোরে তৃতীয় হয় তারা। এরও দুই বছর পর, ২০১২ সালো ডিভিশন ফোর জিতে যায় নেপাল।

২০১৩ সালে এসে বদলে যায় নেপাল ক্রিকেটের টাইমলাইন। সে বছর তারা ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টির কোয়ালিফায়ারে সুযোগ পায়। ২০১৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় ওয়ার্ল্ড টি-টোয়েন্টিতে তাদের অভিষেকও হয়ে যায়। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের সত্যিকারের পদচারণা শুরু হয় তখন থেকেই। ২০১৫ সালে তারা ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট লিগের ডিভিশন থ্রির চ্যাম্পিয়ন হয়।

ওয়ানডে অভিষেকের জন্য প্রস্তুত নেপাল প্রমাণ করেছে ক্রিকেটটা তারা মন দিয়েই খেলছে। আগস্ট মাসে ওয়ানডে খেলার পর দেশটির ক্রিকেট কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*